কোটা সংস্কার আন্দোলনের আপডেট নিউজ ২০২৪

Quota Protest Updated News in Bangladesh 2024. কোটা সংস্কার আন্দোলনের আপডেট নিউজ ২০২৪. বাংলাদেশের সকল অনলাইন পত্রিকা এবং টেলিভিশন চ্যানেল বন্ধ থাকায় পৃথিবীর অনেক দেশে অবস্থানকারী প্রবাসীরা দেশের সঠিক তথ্য পাচ্ছেন না। আমরা বিবিসি বাংলা পত্রিকা সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রাপ্ত নিউজ গুলো এখানে আপডেট দেওয়ার চেষ্টা করছি।

রোববার ও সোমবার সাধারণ ছুটি ঘোষণা

Date & Time:20 July, 2024, 5:15 PM

দেশের বর্তমান পরিস্থিতির কারণে রোববার ও সোমবার নির্বাহী আদেশে সারা দেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

এ নিয়ে শনিবার (২০ জুলাই) একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

এ সময়, সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি এবং স্বায়ত্ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ শিবলী সাদিক বিবিসি বাংলাকে এই তথ্য জানিয়েছেন।

তবে জরুরি পরিষেবা যেমন – বিদ্যুৎ পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরসমূহ এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমসহ টেলিফোন, ইন্টারনেট ও ডাক সেবা এবং এই সংশ্লিষ্ট সেবা কাজে নিয়োজিত যানবাহন এবং কর্মীগণ এর আওতাবহির্ভূত থাকবে।

এছাড়াও হাসপাতাল, চিকিৎসা কার্যক্রম এবং জরুরি কাজে নিয়োজিত অফিসমূহও এই ঘোষণার আওতাবহির্ভূত।

এর বাইরে ব্যাংকগুলোর বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং আদালতের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশনা দেবে।

এর আগে তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ ঘোষণা দিয়েছে যে, রোববার তাদের সব কারখানা বন্ধ থাকবে।

গত কয়েকদিন ধরে চলা সহিংস পরিস্থিতি সামলাতে দেশে জারি করা কারফিউ রবিবার সকাল ১০টা পর্যন্ত বলবৎ থাকবে বলে সরকারি ঘোষণা রয়েছে।

কখন ফিরবে ইন্টারনেট সংযোগ - কেউ জানে না

Date & Time:20 July, 2024, 4:35 PM

ইন্টারনেট সংযোগ থেকে বাংলাদেশ ৪৫ ঘণ্টার বেশি সময় বিচ্ছিন্ন থাকলেও কখন পুনরায় এই সেবা পাওয়া যাবে, তা নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না।

দেশটিতে সব ধরনের ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রয়েছে।

ঢাকার মহাখালীর বিটিআরসি ভবনে ক্ষতিগ্রস্ত ডেটা সেন্টার ও সঞ্চালন লাইন পুনঃসংযোগ ও মেরামতের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন বিটিআরসির চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ।

চেয়ারম্যানের বরাতে প্রতিষ্ঠানটির জনসংযোগ কর্মকর্তা নূর এ খাজা জানান, ইন্টারনেট সংযোগ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে কাজ চলছে। এখন পর্যন্ত কাজের বেশ অগ্রগতি হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ সঞ্চালন লাইনের কথা বললেও মোবাইল ইন্টারনেট সেবাও বন্ধ রয়েছে।

কবে নাগাদ ইন্টারনেট সংযোগ ফিরবে সে বিষয়ে কোন স্পষ্ট বার্তা পাওয়া যায়নি।

শনিবার সহিংসতায় মৃত্যু হয়েছে আরো অন্তত পাঁচ জনের

Date & Time:20 July, 2024, 3:55 PM

ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকায় পুলিশের সাথে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে অন্তত চারজন নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। নিহত চার জনের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

এই চারজনের মরদেহ যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে এসেছে বলে মেডিকেল সূত্রগুলো বিবিসিকে জানিয়েছে।

শনিবার কারফিউ এর মধ্যেই যাত্রাবাড়ি এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে বিক্ষোভকারীদের দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলে।

এদিকে শনিবার দুপুরে সাভারে সহিংসতায় একজন মারা গেছে বলে জানা গেছে। ওই ঘটনায় অন্তত ২০ জনকে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

সকালে বিবিবির সংবাদদাতা রামপুরা, বনশ্রী এলাকায়ও পুলিশকে টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করতে দেখেছেন।

এ ঘটনায় আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।

হাইকোর্টের রায় বাতিল চাইবে রাষ্ট্রপক্ষ: অ্যাটর্নি জেনারেল

Date & Time:20 July, 2024, 3:50 PM

কোটা সংস্কার নিয়ে হাইকোর্টের দেয়া রায় ‘আইনসম্মত না হওয়ায়’ তা বাতিল চাইবে রাষ্ট্রপক্ষ। অ্যাটর্নি জেনারেল আমিনুদ্দিন মানিক বিবিসি বাংলাকে এই তথ্য জানিয়েছেন।

সুপ্রিম কোর্টের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের শুনানি রোববার সকাল ১০টায় হওয়ার কথা রয়েছে।

সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিল করে সরকার যে পরিপত্র জারি করেছিল, একটি রিটের শুনানি শেষে গত ৫ই জুন তা অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্ট।

তবে এরপর থেকে ওই রায়ের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হয়। গত কয়েকদিন ধরে সংঘর্ষ, সহিংসতায় শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কারফিউ জারি এবং সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হয়েছে।

রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের শুনানির জন্য এর আগে ৮ই অগাস্ট তারিখ নির্ধারিত থাকলেও সরকারের আবেদনে সেটি এগিয়ে আনা হয়েছে বলে আইনমন্ত্রী জানিয়েছিলেন।

কোটা আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম এখন কোথায়?

Date & Time:20 July, 2024, 3:40 PM

কোটা আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম আটক হওয়ার পর এখন পর্যন্ত সে কোথায় আছে সেটি নিশ্চিত হওয়া যায় নি।

পরিবারের পক্ষ থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে যোগাযোগ করা হলেও এখনো পর্যন্ত জানা যায়নি কোথায় আছে নাহিদ ইসলাম।

শুক্রবার নাহিদ ইসলাম খিলগাঁওয়ের নন্দীপাড়া এলাকার তার এক বন্ধুর বাসায় ছিলেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে নাহিদের ওই বন্ধু বিবিসি বাংলাকে বলেন, “রাত আড়াইটার দিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি দল আসলে নাহিদ স্বেচ্ছায় বাসার নিচে নেমে আসে।‘’ তখন সেখানে সাদা পোশাকের গোয়েন্দা সদস্যরা ছিল বলেও জানান তিনি।

বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে নাহিদ ইসলামের পরিবারকে তার ওই বন্ধু জানান। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে কোথায় আছে সেটি জানার চেষ্টা করা হয়।

মি. ইসলামের বাবা বদরুল ইসলাম বিবিসি বাংলাকে বলেন, “আমরা জানার পর থেকে থানাসহ বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ নিয়েছি। কিন্তু সে কোথায় আছে সেটি আমরা এখনো জানতে পারি নি”।

নাহিদ ইসলাম কোথায় আছে সে সম্পর্কে জানেন না ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশও।

ডিএমপির ডিসি মিডিয়া ফারুক হোসেন বিবিসি জানান, নাহিদ ইসলাম আটকের বিষয়ে তাদের কিছু জানা নেই।

সাভারে সংঘর্ষ, একজনের মৃত্যুর খবর

Date & Time:20 July, 2024, 3:30 PM

শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ২টা, এই সময়ের মাঝে সাভার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পুলিশ ও ছাত্রলীগ কর্মীদের সাথে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষ হয়।

ওই এলাকার রাজ্জাক প্লাজা থেকে রেডিও কলোনি'র মাঝে দেড় ঘণ্টা যাবৎ চলমান এই সংঘর্ষের ঘটনায় একজন মারা গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিক শামসুজ্জামান শামস। এতে আরো অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।

সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে শনিবার বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে স্থানীয় সাংবাদিক শামসুজ্জামান শামস বিবিসিকে জানান, আহত একজনকে আইসিইউতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং এখনও অনেক আহতকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হচ্ছে।

নতুনবাজার-বাড্ডাসহ প্রগতি সরণি জনমানবশূন্য

Date & Time:20 July, 2024, 3:12 PM

রাজধানীর প্রগতি সরণিজুড়ে শনিবারও থমথমে পরিস্থিতি দেখা গেছে। বেলা গড়ালেও নাগরিক চলাচলে স্বাভাবিকতা দেখা যায়নি। বরং জরুরি প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হওয়া মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে দেখা গেছে। নতুনবাজার-বাড্ডা-রামপুরার বিভিন্ন গলিতে মানুষজনের জটলা দেখা গেছে। কিন্তু তাদেরকে মূল সড়কে অবস্থান নিতে দেয়নি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। অনেক স্থানে গলিতে গলিতে ঢুকে ফাঁকা গুলি ও টিয়ারশেল ছুড়তে দেখা গেছে। বেলা ১২টার দিকে রাজধানীর গুলশান-বাড্ডা লিঙ্ক রোডের বিভিন্ন গলিতে ঢুকে পুলিশকে ফাঁকা গুলি ছুড়তে দেখেছেন বিবিসির সংবাদদাতা।

এ সময় সেখানে সেনাবাহিনীর অবস্থান দেখা যায়নি। মূল সড়ক ধরে বিচ্ছিন্নভাবে হেঁটে যাওয়া বেশ কয়েকজন পথচারীকে লাঠিচার্জ করে সরিয়ে দিতে দেখা গেছে। বেলা ১টার দিকে রাজধানীর নতুনবাজারেও কাছাকাছি চিত্র দেখা গেছে। সেখানে মূল সড়ক ধরে কেউ চলাচলের চেষ্টা করলে তাদের সরিয়ে দিতে দেখা গেছে। আমেরিকান অ্যাম্বেসির দুই প্রান্তে সেনা সদস্যদের অবস্থান দেখা গেছে। তবে নির্দিষ্ট অবস্থানে থেকেই তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন তারা। রামপুরার কিছু স্থানে মূল সড়কেও অবস্থান নেয়ার চেষ্টা করেছেন আন্দোলনকারীরা। সেখানে থাকা এক পুলিশ কর্মকর্তা বিবিসি বাংলাকে বলেন, সড়ক পরিষ্কার করে করে আগাতে হচ্ছে। রাস্তা চলাচলের অনুকূলে হলে পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নেয়া সহজ হতো। স্থানে স্থানে গিয়ে আন্দোলন দমনে পুলিশই সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন বলে দাবি করেন তিনি।

জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজনে বের হওয়া একজন ব্যক্তি বিবিসি বাংলাকে জানান, অবস্থা কবে স্বাভাবিক হবে জানি না। রামপুরা থেকে নতুনবাজার পর্যন্ত পায়ে হেঁটে আসার পথে স্থানে স্থানে বাধাপ্রাপ্ত হওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, মেডিকেল রিপোর্ট দেখিয়ে ছাড়া পেয়েছি। গোটা প্রগতি সরণিজুড়ে ভাঙচুর ও অগ্নিকাণ্ডের চিহ্ন। জায়গায় জায়গায় পড়ে ছিল ভস্মীভূত যানবাহন, ধাতব সড়ক বিভাজক, বুলেটের খোসা ও ইটের টুকরা। বিবিসি বাংলার সংবাদদাতা যখন সেই স্থান ত্যাগ করছিলেন তখন সড়কের পাশে বসে মধ্যাহ্নভোজের প্রস্তুতি নিতে দেখা যাচ্ছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের।

বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম খান আটক

Date & Time:20 July, 2024, 3:05 PM

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানকে তার বনানী ডিওএইচএস এর বাসা থেকে শনিবার সকালে গোয়েন্দা পুলিশ আটক করেছে।

বিএনপি চেয়ারপার্সনের প্রেস উইং থেকে এ খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।

দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে অবিলম্বে তার মুক্তি দাবি করেছেন বলে জানিয়েছেন চেয়ারপার্সনের প্রেস উইং এর কর্মকর্তা শায়রুল কবীর খান।

প্রধানমন্ত্রীর দুই বিদেশ সফর বাতিল

Date & Time:20 July, 2024, 2:45 PM

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পূর্ব নির্ধারিত স্পেন ও ব্রাজিল সফর বাতিল হয়েছে। শুক্রবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এই ঘোষণা এসেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব ইমরুল কায়েস।

তিনি জানিয়েছেন, কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে দেশে উদ্ভূত বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রী এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর ২১ থেকে ২৩শে জুলাই স্পেনে এবং সেখান থেকে ২৪ থেকে ২৭শে জুলাই ব্রাজিলে সফরে থাকার কথা ছিল

শনিবার ঢাকায় কারফিউ-র যে চিত্র দেখা যাচ্ছে

কারফিউ জারি করার পর শনিবার সকালে ঢাকার রাস্তায় মানুষের উপস্থিতি ছিল স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম। কিছু এলাকায় হাতে গোনা কয়েকটি দোকান খোলা দেখা গেছে।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে সকাল বেলার চিত্র ছিল অনেকটা অন্যান্য দিনের মতই। শাক-সবজি, মাছ সহ নিত্যপণ্যের ব্যবসায়ীদের সকাল থেকেই বাজারে বসতে দেখা গেছে।

বিভিন্ন এলাকায় রাস্তাঘাটে মানুষের উপস্থিতি স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম দেখা গেছে।

রাস্তায় গাড়ির সংখ্যা ছিল হাতে গোনা। গণমাধ্যমের গাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স বা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গাড়ি বাদে অন্য গাড়ি ছিল না বললেই চলে। সিএনজি চালিত অটোরিকশাও ছিল না রাস্তায়।

তবে সব এলাকাতেই রিকশা চলাচল করতে দেখা গেছে।

সকাল থেকে ঢাকার ধানমণ্ডি, মোহাম্মদপুর, মিরপুর, পল্টন, রাজারবাগ, মগবাজার, হাতিরঝিল, বাড্ডা, এলাকার কোথাও কোনো ধরনের মিছিল বা সমাবেশ দেখা যায়নি।

তবে রামপুরার পাশে খিলগাও রেলগেটের কাছে রাস্তা আটকে বিক্ষোভকারীদের এক জায়গায় জড়ো হয়ে থাকতে দেখেন বিবিসি সংবাদদাতা। সেসময় বিক্ষোভকারীদের অনেকের হাতে লাঠি, রড দেখা যায়।

ধানমণ্ডি, মোহাম্মদপুর সহ বিভিন্ন জায়গায় রাস্তায় আগের দিনের সহিংসতার চিহ্ন দেখা গেছে। সব জায়গায় রাস্তায় ছড়িয়ে ছিল ইটের টুকরা, রাস্তার ডিভাইডারের ভাঙা রড।

মোহাম্মদপুর, রামপুরা, মহাখালির বিভিন্ন জায়গায় রাস্তায় দেখা গেছে পুড়ে যাওয়া গাড়ির ধ্বংসাবশেষ।

শাহবাগ, মহাখালি আর সংসদ ভবনের চারপাশে সেনাবাহিনীর অবস্থান দেখা গেছে। সেসব জায়গা দিয়ে যাওয়া-আসা করা রিকশা, গাড়ির যাত্রীদের পরিচয়পত্র যাচাই করতে দেখা যায় সেনা সদস্যদের।

ঢাকার মিরপুর ১০ নম্বর গোল চত্বর এলাকায়, মানিক মিয়া এভিনিউ, শাহীন কলেজের সামনের সড়কে সেনা সদস্যদেরচেকপোস্ট দেখতে পেয়েছেন বিবিসির সংবাদদাতা। সব যানবাহন থামিয়ে তারা যাচাই করছিলেন।

বেলা ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত কারফিউ বিরতি ছিল। এরপর আবার কারফিউ শুরু হয়েছে, যা রোববার সকাল ১০টা পর্যন্ত চলবে।

১০ মিনিট আগের নিউজ
নরসিংদীর কারাগারে হামলার পর পালিয়েছে আট শতাধিক আসামী

নরসিংদীর কারাগারে হামলার পর সেখানকার আট শতাধিক কারাবন্দী পালিয়ে গেছে বলে কারা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

বিকাল পৌঁনে পাঁচটার দিকে হাজার হাজার মানুষ নরসিংদী কারাগারে হামলা চালায়। এরপর তারা কারাগারের দরজা ও লকআপ ভাঙ্গতে শুরু করলে ৮২৬ জন কারাবন্দী পালিয়ে যায়।

এদের মধ্যে দুজন জেএমবি নারী কয়েদি এবং সাত জন আনসার আল ইসলামের কয়েদি ছিল। এছাড়া চার শতাধিক বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের বন্দী নেতাকর্মী ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

শুক্রবার বিকেল পৌনে পাঁচটা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত কারাগারের ভেতরে এই তাণ্ডব চলে বলে জানিয়েছেন নরসিংদীর জেল সুপার মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ।

“ভেতরের অবস্থা ভয়াবহ ছিল। তারা যা পাচ্ছিল তাই ভাঙচুর করছিল। আমরা জিম্মি হয়ে পড়েছিলাম। পরে কয়েদীরাই আমাদের সাহায্য করে পালাতে। আমরা কোনভাবে পোশাক বদলে সিভিল ড্রেসে বের হয়ে আসি। আর কতোক্ষণ থাকলে আমাদের মেরেই ফেলতো,” তিনি বলেন।

মি. আজাদ জানান, শুক্রবার সকাল থেকেই নরসিংদীতে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক সমাবেশ, মিছিল চলছিল।

এক পর্যায়ে কয়েক হাজার মানুষ বিকেল চারটার দিকে ভেলানগর এলাকায় জেলখানা ভবনের দিকে অগ্রসর হতে থাকে।

এসময় তাদের হাতে লাঠিসোটা, হকিস্টিক, রাম দা, পিস্তলসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র ছিল। এক পর্যায়ে পৌনে পাঁচার দিকে তারা হাতুড়ি দিয়ে মূল ফটকের লক ভেঙে ফেলে ভেতরে প্রবেশ করতে থাকে।

এসময় পুরো কারাগার জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দুর্বৃত্তরা ভেতরে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় এবং জেল কর্মীদের থেকে তাদের অস্ত্র ছিনিয়ে নেয়। এরপর ভেতরে ঢুকে তারা একে একে লক-আপ ভাঙতে শুরু করে।

২০ মিনিট আগের নিউজ

চট্টগ্রাম ও রাজশাহী শহরের পরিস্থিতি

চট্টগ্রাম

সারা দেশে সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা জানানো হলেও বেলা একটা পর্যন্ত চট্টগ্রামের শহরে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি দেখা যায়নি।

নগরের মোড়ে মোড়ে চেকপোস্ট বসিয়েছে পুলিশ। এছাড়াও শহরে পেট্রোলিং করছে বিজিবি।

সামাজিক মাধ্যম ও অনলাইন পোর্টালগুলো বন্ধ থাকায় চট্টগ্রামের অনেকেই কারফিউ জারির কথা জানতে পারেননি বলে জানান স্থানীয় সাংবাদিক অনুপম শীল।

ফলে সকাল থেকেই বিভিন্ন পেশার মানুষ সড়কে কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে বের হন। তবে বেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তাদের সংখ্যা কমতে থাকে।

এদিকে চট্টগ্রামে বেশ কিছু কলকারখানা খোলা থাকার খবর পাওয়া গেছে।

শহরের বিভিন্ন গলিতে খাবারের দোকান খোলা হয়েছে এবং এলাকার ভেতরে জনসাধারণের উপস্থিতি দেখা গেছে।

তবে প্রধান সড়কগুলোতে দোকানপাট বন্ধ রয়েছে।

চটগ্রাম শহরের ভেতরে গণপরিবহন চলতে দেখা যায়নি। আগে থেকেই বন্ধ ছিল দূরপাল্লার বাস। তবে সীমিত পরিমাণে স্বল্প দূরত্বের কিছু বাস চলতে দেখা গেছে। এছাড়াও প্যাডেল ও ব্যাটারিচালিত রিক্সা চলাচল করছে।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার সাইফুল ইসলাম, জনসাধারণকে কারফিউ শিথিল হবার সময় বেরিয়ে জরুরি কাজ শেষ করার এবং বাকি সময়ে ঘরে থাকার আহ্বান জানিয়েছন।

এছাড়া কোটা আন্দোলনকারীরা দুপুর একটার দিকে দুই নম্বর গেট মোড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করলেও সেখানে কাউকে জড়ো হতে দেখা যায়নি বলে জানান আরেক স্থানীয় সাংবাদিক আব্দুল করিম।

রাজশাহী

শনিবার বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত রাজশাহীতে কোনো বিক্ষোভ বা সংঘাতের ঘটনা দেখা যায়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম।

শনিবার দিবাগর রাত ১২টা থেকে কারফিউ জারি করার ফলে শহরে যান চলাচল এবং দোকানপাট বন্ধ রয়েছে।

তবে বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত রাজশাহীতে সেনাবাহিনীর সদস্যদের দেখা যায়নি।

শহরজুড়ে পুলিশ, বিজিবিসহ একাধিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যকে টহল দিতে দেখা গেছে।

হাসপাতাল কিংবা জরুরি পরিষেবা ব্যতিত কাউকে শহরের দিকে যেতে দেয়া হচ্ছে না।

বিশেষ করে যে সড়কগুলোতে গত কয়েকদিনে বিক্ষোভকারীরা জড়ো হয়েছে, সেখানে যাতায়াতকারীদের তল্লাশি নেয়া হচ্ছে।

এদিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে বেলা ১১টায় কোটাবিরোধী শিক্ষার্থীদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি থাকলেও সেখানে কাউকে জড়ো দেখা যায়নি।

Focus Writing For Bank Exam Samples and Examples

Focus Writing For Bank Exam Sample and Example. Recent Focus Writing PDF 2023- 2024. Unique Bank Focus Writing Sample.

Focus Writing

Focus writing refers to the expository writing style that describes an issue concisely avoiding unnecessary information. It enhances the writer to describe an issue with the main point and appropriate words. It includes a summary of the issue to attract the readers including definition, positive and negative impact on society, challenges, recommendations, and conclusion. Focus writing format contains transitional verbs to explain the positive and negative effects. It highlights the main point precisely.

Focus Writing Format

The three core elements of the focus writing format are the introduction, body, and conclusion. The focus writing's introduction section includes a summary of the topic, a background of topics, a definition if applicable, and a thesis statement.  The body of the focus writing includes economic or socioeconomic benefits, opportunities, and advantages offered by the topic or issue. It also contains the disadvantages, detriments, and drawbacks of the issue. The challenges or barriers to attaining positive outcomes for the project.  The body of focus writing also comprises how to overcome the challenges and adversities. Finally, it demonstrates the suggestions, and recommendations to achieve a positive outcome. This section should not be less than three and not more than five paragraphs. The conclusion summarizes the body and ends with a positive sentence.

Focus Writing For Bank Exam

Focus writing for the Bank exam is essay writing for a job exam in Bangladesh. The applicant needs to write a focus writing essay for the written job exam. The author explains how to write focus writing for a bank job with examples.  The article includes recent and unique bank-focus writing examples and samples. The samples surely assist audiences in educating them on how to write focus writing.

"</a
Focus Writing For Bank Exam Sample- 1

Topic: Universal Pension Scheme

Bangladesh has made significant progress in recent years in terms of social safety net programs. Among them, the universal pension scheme is one of the best initiatives. The universal pension scheme bill was passed in 2022 in parliament and inaugurated on 17th August 2023. The purpose is to financial security for older people who are unable to earn a livelihood due to illness, old age, and disability. The four schemes Probash, Progoti, Surokkha, and Somota will cover the whole population aged between 18 to 50 based on their national identity card, including expatriate citizens. In this article, socioeconomic benefits,  challenges, and remedies of those challenges of universal pension scheme will be discussed.

The universal pension scheme covers all older citizens above 60 years old regardless of their financial situation. This scheme is funded by the government of Bangladesh providing a 500 tk deposit every month to eligible older citizens.

According to the Bangladesh Bureau of Statistics, the poverty among the aged population in Bangladesh was 33.9% in 2019. The introduction of a universal pension scheme will help this poverty rate to decrease significantly. It will also enable the Improvement of overall well-being by financially assisting them to meet their basic needs such as food, healthcare, and housing.

Additionally,  with the benefits for the aged population,  UPS will have a positive impact on the overall economy of Bangladesh by increasing economic activities. This will result in the creation of new jobs and stimulate economic growth in the country.

However, in order to make this initiative more effective, the authority needs to address some challenges. One of the major challenges is the issue of population targeting. Though it is universal, the scheme is unable to cover some old-age citizens. Because some of them may not be registered with the government and some also may not have required identification documents.

Another challenge is funding and proper risk-free investment ideas for the fund. While the government of Bangladesh has committed to funding this scheme, there are concerns that the current level of funding may not be sufficient to meet the growing demand for it. Also, investment of the fund in unsafe sectors may cause UPS unsustainable in the long run.

To address these challenges, the government has to take several measures. Firstly, proper targeting of all eligible populations, registering them with the help of technology, and providing identification documents who do not have them. Secondly, increase funding for the UPS with the allocation of additional funds for the scheme in the national budget.  And finally,  exploring safe investment sources to ensure sustainability in the long run.

In conclusion,  the introduction of a universal pension scheme is a praiseworthy step. This is commensurate with Bangladesh's aspiration to become an upper-middle-income country by 2031 and an advanced country by 2041. This scheme will increase economic activities which will create new places and employment. And this fund should not become another sector of corruption and pensioner should be able to withdraw their pension money instantly without unnecessary hassle. In one sentence it should be a pensioner's friendly scheme.

Focus Writing For Bank Exam Sample- 2

Topic: Cashless Economy: A Journey of Bangladesh to Digital Transaction

A cashless economy or a cashless society is an environment where traditional methods of financial transactions such as paper currency, and coins are not used. Here, all sorts of payments are completed by Mobile Financial Services(MFS) like Bkash, Nagad, Rocket, Google Pay, Apple Pay, Paypal, Cryptocurrency, debit cards, credit cards, and more such electronic methods. Bangladesh as an emerging nation is moving ahead to achieve and adopt the developed country’s economic characteristics. The cashless society is just another step in this. Cashless transaction methods have many advantages but along with these they also have some shortcomings. Without addressing these vital issues this project may fail or face difficult challenges in the future.

The cashless economy has great ascendency in Bangladesh. The most effective benefits of the project are boosting financial inclusion, less money laundering,  avoiding the risk of carrying tangible money, and less time consumption. It also enables the reduction of costs associated with the production, storing,  handling, and ending of paper and coin currency. It also makes it very easy to currency exchange while traveling internationally.

With great positive aspects building a cashless society in Bangladesh brings great challenges. These issues must be identified and resolved to enjoy the sweet fruit of a cashless society. Among these impediments, the first and most worrying obstacle is digital crimes such as fear of hacking, phishing, etc. The banks of Bangladesh are unwilling to spend more money on cyber security and ICT risk management. Secondly, less technological knowledge and less financial literate citizens. Most people in this country are not familiar with these ways of payment. Most importantly, the FRED report clearly shows that the transaction cost of MFS in our nation is the highest in South Asia and third highest in all of Asia. Moreover, intangible money creates overspending tendencies among middle-class people.

To overcome these impediments, at first central bank should play a regulatory role to increase fund investments in the cyber security sector. Additionally, educating people about financial transaction safety measures, habits of savings, and so on. Following that, in mobile financial services, the transaction cost should be lower and arrangements for special incentives be provided. Already the MFS service providers started alluring packages such as cash back, discounts in shopping at different chain shops, etc. Finally, the central bank should fix the transaction charges to buzz financial inclusion. These measures will help combat and resolve almost all the major hinders towards achieving economic ascendency to the fullest.

Undoubtedly,  the cashless society is a commendable initiative of our government which will be another step in achieving the Smart Bangladesh vision. Without sorting the indicated facts, this splendid thought may suffer. Hopefully, along with the government,  the country’s central bank and its population will work together in hand in hand to succeed.

Unique Focus Writing Example (ইউনিক ফোকাস রাইটিং)
Bangladesh-India Bilateral Transaction: A New Phase of Currency Exchange

The taka-rupee bilateral transaction is an appreciated step in strengthening economic ties between Bangladesh and India. These two South Asian nations have a friendly historical context and at present, they are working together on many developmental and economic projects and the Taka-Rupee bilateral transaction agreement is one of those. Tk-Rupee transactions will work as the pivotal driver of the two countries' cooperation and maintaining regional relationships. The opportunities, mechanisms, and challenges along with some recommendations will be discussed in this article.

One of the very first and most effective advantages of the Tk-Rupee bilateral transaction is that it will offer Bangladesh a marvelous trade boost. With this currency exchange mechanism, it will make it fast, and easy, provide lower currency rates, and less risky money transactions. It will help both the importer and exporter businesses in both countries. In 2022-23, with $15.3 billion dollars, bilateral trade with Bangladesh was India’s one of the largest trading partners.

Additionally, this method of money exchange will help Bangladesh to allure Indian investors in Foreign Development Investment (FDI) in the country. In recent years, Indian investment and business projects in Bangladesh have risen by billions of dollars. Moreover,  India will be able to expand its machinery, agricultural, and pharmaceutical markets in Bangladesh through this easy transaction agreement. Overall, it will result in rapid economic growth, smoother and tension-free trade, and strong diplomatic and economic ties and cooperation.

Along with numerous benefits and ascendency, the Taka-Rupee bilateral transaction comes with its own impediments and limitations. Firstly, inconsistency in exchange rates between taka and rupees can make a challenging situation. This inconsistency can create product cost differences, hamper export and import businesses, and discourage investors. Following, this transaction system asks for coordination between both the country’s responsible banks and financial institutions for easy convertibility, the common indifferences among the financial institutions can push this agreement into failure. Again, issues related to taxation,  trade documents, foreign exchange controls, and Bangladesh's risk of more trade imbalance will create great adverse economic conditions.

Solving these demands good cooperation between Bangladesh and India. Firstly, making of policy and regulatory measures for effective exchange rate risk management and for convertibility. Secondly, a good, friendly, and collaborative relationship between the two countries' central banks and other responsible financial institutions is vital to make the Tk-Rupee transaction a success. Most importantly, Bangladesh needs to step up in trade diversification, depending not only on previous sectors the country should come up with new profitable trading businesses. Finally, infrastructure development, monitoring, risk assessment, opportunity assessment, capacity building, and public awareness are essential to clearing the adverse possible courses.

In conclusion, the Taka-Rupee bilateral transaction will boost both the country's GDP, increase business, create employment sectors, and strengthen both countries' relationships. And to enjoy these expected fruitful results described proper measures are a must to take care of. With proper resolutions, the Taka-Rupee bilateral transaction will look like a blooming flower in the garden of both the country’s economies.